মূল বিষয়বস্তুতে যানThe Generation Today
 
The Generation Today
সর্বশেষবাংলাদেশআন্তর্জাতিকশিক্ষাউচ্চশিক্ষাপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলাবিনোদনভিডিওশিক্ষাপ্রশাসনঅর্থনীতিতারুণ্যপ্রবাসনির্বাচনশিক্ষা আন্দোলনআইন-আদালতনারী ও শিশুঅপরাধপরিবেশ ও জলবায়ুভ্রমণ-পর্যটনপুরস্কার-সম্মাননাউদ্ভাবন আবিষ্কারস্বাস্থ্য ও চিকিৎসালাইফস্টাইলব্যক্তিত্বসাহিত্য-সংস্কৃতিসাক্ষাৎকারবিচিত্র খবরসম্পাদকীয়বইমেলাফ্যাক্টচেকপ্রিয় বইমতামতশিক্ষাব্যবস্থা
সর্বশেষ
বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক
The Generation Today
সর্বশেষবাংলাদেশআন্তর্জাতিকশিক্ষাউচ্চশিক্ষাপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলা
The Generation Today
হোমপেজসর্বশেষরাজনীতিঅর্থনীতিআইন-আদালতবিনোদনলাইফস্টাইলমতামত
সর্বশেষ
সরকাররাজনীতিসংসদসারা দেশরাজধানীজেলাঅপরাধদুর্ঘটনাআইন-আদালতকৃষি ও খাদ্যপানি-বিদ্যুৎ-জ্বালানি
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মধ্যপ্রাচ্যএশিয়াইউরোপআমেরিকাআফ্রিকাঅন্যান্য
ব্যাংক ও আর্থিকশিল্পবাণিজ্যবিশ্ববাণিজ্যবাজারউদ্যোক্তাবাজেটঅন্যান্য
ফ্রিল্যান্সিংপ্রশিক্ষণএআইগ্যাজেটবিজ্ঞানটিপসঅন্যান্য
ফুটবলক্রিকেটবিপিএলআইপিএলঅন্যান্য
খবরস্নাতকস্নাতকোত্তরএমফিলপিএইচডিপ্রফেশনাল প্রোগ্রামক্যাম্পাস
খবরসরকারিবেসরকারিবাহিনীব্যাংক ও আর্থিকশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানএনজিওমেডিকেল-ফার্মাসিবিদেশে চাকরিইন্টার্নশিপপ্রস্তুতি ও পরামর্শপরীক্ষার সময়সূচিসাক্ষাৎকারফলাফল
খবরদেশিবিদেশিপ্রস্তুতি ও পরামর্শফলাফল
সারা দেশআন্দোলনখেলাআন্তর্জাতিকজীবনের গল্পবিজয়গাথাঐতিহ্যঐতিহাসিক স্থানসাক্ষাৎকারঅন্যান্য
সাক্ষাৎকারসাফল্যসংস্কৃতিসাহিত্যবইমেলাপরিবেশ ও জলবায়ুলাইফস্টাইলস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাধর্মউদ্ভাবন আবিষ্কারব্যক্তিত্বপুরস্কার-সম্মাননাভ্রমণ-পর্যটনবিচিত্র/অফবিটশিক্ষক-কর্মচারী আন্দোলন
নির্বাচন
প্রবাস
সম্পাদকীয়
মতামত
প্রতিযোগিতাবিতর্ককুইজঅলিম্পিয়াডসাফল্যউৎসব-পার্বণ
বিনোদন
শিক্ষা আন্দোলন
আইন-আদালত
নারী ও শিশু
দরকারি তথ্যপরীক্ষার সময়সূচিভর্তি পরীক্ষাবোর্ড পরীক্ষাঅ্যাকাডেমিক পরীক্ষাপ্রস্তুতি ও পরামর্শমডেল টেস্টপ্রশ্ন সমাধানফলাফল
খবরমতামত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়প্রাথমিক ও গণশিক্ষাশিক্ষা বোর্ডএনটিআরসিএইউজিসিপিএসসিঅন্যান্য
বিচিত্র খবর
ফ্যাক্টচেক
ব্যাংক-বিমা
দরকারি তথ্যস্কুলকলেজবিশ্ববিদ্যালয়অন্যান্য
আইন-আদালত

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন

জ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ১২:১২ AM

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়াটির অনুমোদন দেওয়া হয়
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়াটির অনুমোদন দেওয়া হয়|ছবি: জিটি সম্পাদিত

হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু বা গুম প্রতিরোধে জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা এনপিএম ইউনিট গঠনের বিধান রেখে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়াটির অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রাষ্ট্রের অন্যতম অঙ্গীকার। মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও নিশ্চিতকরণও রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণাসহ মানবাধিকারবিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইন, সনদ ও চুক্তি পরিপালনে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আগামী দিনে আরও ইতিবাচক হবে: দীনেশ ত্রিবেদী

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও নিশ্চিতকরণের জন্য একটি কার্যকর ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। এ পরিপ্রেক্ষিতেই ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

আইনটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে কমিশন গঠন ও এর মেয়াদ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান রাখা হয়েছে। একজন চেয়ারপার্সন ও চারজন কমিশনার নিয়ে কমিশন গঠিত হবে এবং এতে অন্তত একজন নারীকে অন্তর্ভুক্ত করার বিধান রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে বাছাই কমিটির সুপারিশে নৃ-গোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর যোগ্য প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক প্রতিনিধি এবং নৃ-গোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: লাঙল হাতে মানুষটিই ছিল সুলতানের শিল্পের নায়ক

কমিশনের কার্যপরিধি স্পষ্ট করার পাশাপাশি অভিযোগ গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কার্যকর তদন্ত ব্যবস্থা ও ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

তদন্ত চলাকালে ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বা ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতার বিধানও রাখা হয়েছে।

জাতিসংঘের ‘নির্যাতন বিরোধী সনদের ঐচ্ছিক প্রটোকল’ অনুযায়ী হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু বা গুম প্রতিরোধে একটি জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (এনপিএম) ইউনিট গঠনের বিধানও আইনের খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ট্যাগ:গুমখুননৃশংস হত্যাকাণ্ডমানবাধিকারজাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!