নতুন শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্তির আবেদনের সঙ্গে দাখিল করা নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্রে অসংগতি পাওয়ায় তিন মাদ্রাসার সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। নোটিশ পাওয়ার তিন কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা মহাপরিচালকের কাছে দাখিল করতে বলা হয়েছে। রবিবার (৪ অক্টোবর) পৃথক তিনটি চিঠির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার সুপারদের এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
শোকজ পাওয়া তিন মাদ্রাসার সুপার হলেন- ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার উত্তর চণ্ডিপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. ফয়েজ উল্যাহ, ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁচড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. সামছুউদ্দিন এবং গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার নাসির উদ্দিন প্রধান দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার হামিদুর রহমান শেখ।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়' মাস্টার্সে ভর্তি, আবেদন ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে এসব মাদ্রাসা থেকে MEMIS সফটওয়্যারের মাধ্যমে নতুন শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করা হয়। আবেদনের সঙ্গে জমা দেওয়া পত্রিকায় প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ফলাফল শিট, নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র ও সংশ্লিষ্ট রেজুলেশন পর্যালোচনা করে এসব নথির মধ্যে অসংগতি পাওয়া গেছে।
বিশেষ করে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপের তারিখ, তথ্য এবং দাখিল করা কাগজপত্রের মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকায় সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
এ অবস্থায় অসংগতিপূর্ণ কাগজপত্র দাখিল করে MEMIS সফটওয়্যারে নতুন শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সুপারদের দায়িত্ব ও ভূমিকা সম্পর্কেও ব্যাখ্যা চেয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
আরও পড়ুন: বিইউপিতে মাস্টার্স অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ প্রোগ্রামে ভর্তি, আবেদন ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত
নোটিশে আরও বলা হয়, অসংগতিপূর্ণ কাগজপত্র দাখিলের মাধ্যমে এমপিওভুক্তির আবেদন করার কারণ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাদের দায়িত্ব ও ভূমিকা সম্পর্কে কেন বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে হবে।
নোটিশ পাওয়ার তিন কর্মদিবসের মধ্যে মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা বরাবর ওই ব্যাখ্যা দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট সুপারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

