যে ভুল থাকলে বেতন-ভাতা পাবেন না মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর|ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও এসএসসি, দাখিল বা সমমান পরীক্ষার শিক্ষাসনদে নামের ইংরেজি বানানে কোনো অমিল থাকলে বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে বেতন-ভাতা পেতে সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই ইএফটির জন্য তথ্য হালনাগাদের ক্ষেত্রে এনআইডি ও শিক্ষাসনদে নামের বানান হুবহু একই রাখার নির্দেশনা দিয়ে এ সংক্রান্ত সাতটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য সংশোধন, হালনাগাদ ও সংরক্ষণ-সংক্রান্ত গত ১৯ জুলাই জারি করা নির্দেশনার বিভিন্ন বিষয়ে রোববার (২ আগস্ট) বিস্তারিত স্পষ্টীকরণ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেশের সব এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও সুপারদের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য ফরম পূরণ ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।

আরও পড়ুন: আগস্ট-সেপ্টেম্বর দুই মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৩ দিন বন্ধ

স্পষ্টীকরণে ইএফটি কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সাতটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে —

১. প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ হিসেবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারীর বর্তমান ইনডেক্সে উল্লেখিত প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখই বিবেচিত হবে।

২. জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং এসএসসি, দাখিল বা সমমান পরীক্ষার ইংরেজি সনদে নামের বানান অবশ্যই হুবহু একই হতে হবে। নামের বানানে অমিল থাকলে ইএফটি প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।

৩. ফরমে যে মোবাইল নম্বর দেওয়া হবে, সেটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারীর নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধিত (বায়োমেট্রিক) সিম নম্বর হতে হবে।

৪. এনআইডি নম্বর ১০ অথবা ১৭ ডিজিটে উল্লেখ করতে হবে। যাদের ১৩ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে, তারা নম্বরের শুরুতে জন্মসাল যুক্ত করে ১৭ ডিজিট পূরণ করবেন।

৫. ফরমে যেসব তথ্য ইংরেজিতে চাওয়া হয়েছে, সেগুলো ইংরেজিতে এবং যেসব তথ্য বাংলায় চাওয়া হয়েছে, সেগুলো বাংলায় পূরণ করতে হবে।

৬. বেতন গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাবটি অবশ্যই অনলাইন বা ডিজিটাল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হতে হবে।

আরও পড়ুন: এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা

৭. এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে— এনটিআরসিএর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বা তার পরে যোগদানকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে যোগদানের তারিখই প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ হিসেবে গণ্য হবে।

এছাড়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ইএফটি ফরমের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও শিটের ফটোকপি এবং ব্যাংক চেক বইয়ের প্রথম পৃষ্ঠা (অথবা যেকোনো পাতার) ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে।

শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য যথাযথভাবে পূরণ করে স্বাক্ষরসহ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে পূরণকৃত ফরমের একটি সফট কপি নিজেদের কাছে সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরে প্রতিষ্ঠান প্রধান তথ্য যাচাই ও প্রত্যয়ন করে অধিদপ্তরের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন বলেও জানানো হয়েছে।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!