মূল বিষয়বস্তুতে যানThe Generation Today
 
The Generation Today
সর্বশেষশিক্ষাউচ্চশিক্ষাপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলাবিনোদনবাংলাদেশআন্তর্জাতিকভিডিওশিক্ষাপ্রশাসনঅর্থনীতিতারুণ্যপ্রবাসনির্বাচনশিক্ষা আন্দোলনআইন-আদালতনারী ও শিশুঅপরাধপরিবেশ ও জলবায়ুভ্রমণ-পর্যটনপুরস্কার-সম্মাননাউদ্ভাবন আবিষ্কারস্বাস্থ্য ও চিকিৎসালাইফস্টাইলব্যক্তিত্বসাহিত্য-সংস্কৃতিসাক্ষাৎকারবিচিত্র খবরসম্পাদকীয়বইমেলাফ্যাক্টচেকপ্রিয় বইমতামতশিক্ষাব্যবস্থা
সর্বশেষ
শিক্ষা
উচ্চশিক্ষা
The Generation Today
সর্বশেষশিক্ষাউচ্চশিক্ষাপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলাবিনোদনবাংলাদেশ
The Generation Today
হোমপেজসর্বশেষরাজনীতিঅর্থনীতিআইন-আদালতবিনোদনলাইফস্টাইলমতামত
সর্বশেষ
সরকাররাজনীতিসংসদসারা দেশরাজধানীজেলাঅপরাধদুর্ঘটনাআইন-আদালতকৃষি ও খাদ্যপানি-বিদ্যুৎ-জ্বালানি
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মধ্যপ্রাচ্যএশিয়াইউরোপআমেরিকাআফ্রিকাঅন্যান্য
ব্যাংক ও আর্থিকশিল্পবাণিজ্যবিশ্ববাণিজ্যবাজারউদ্যোক্তাবাজেটঅন্যান্য
ফ্রিল্যান্সিংপ্রশিক্ষণএআইগ্যাজেটবিজ্ঞানটিপসঅন্যান্য
ফুটবলক্রিকেটবিপিএলআইপিএলঅন্যান্য
খবরস্নাতকস্নাতকোত্তরপ্রফেশনাল প্রোগ্রামএমফিল-পিএইচডিক্যাম্পাস
খবরদেশিবিদেশিপ্রস্তুতি ও পরামর্শফলাফল
সারা দেশআন্দোলনখেলাআন্তর্জাতিকজীবনের গল্পবিজয়গাথাঐতিহ্যঐতিহাসিক স্থানসাক্ষাৎকারঅন্যান্য
নির্বাচনপ্রবাসসাক্ষাৎকারসাফল্যসংস্কৃতিসাহিত্যবইমেলাশিক্ষা আন্দোলনপরিবেশ ও জলবায়ুলাইফস্টাইলস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাধর্মউদ্ভাবন আবিষ্কারব্যক্তিত্বপুরস্কার-সম্মাননাভ্রমণ-পর্যটনবিচিত্র/অফবিটশিক্ষক-কর্মচারী আন্দোলন
সম্পাদকীয়
মতামত
প্রতিযোগিতাবিতর্ককুইজঅলিম্পিয়াডসাফল্যউৎসব-পার্বণ
বিনোদন
আইন-আদালত
নারী ও শিশু
দরকারি তথ্যপরীক্ষার সময়সূচিভর্তি পরীক্ষাবোর্ড পরীক্ষাঅ্যাকাডেমিক পরীক্ষাপ্রস্তুতি ও পরামর্শমডেল টেস্টপ্রশ্ন সমাধানফলাফল
খবরমতামত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়প্রাথমিক ও গণশিক্ষাশিক্ষা বোর্ডএনটিআরসিএইউজিসিপিএসসিঅন্যান্য
বিচিত্র খবর
ফ্যাক্টচেক
ব্যাংক-বিমা
দরকারি তথ্যস্কুলকলেজবিশ্ববিদ্যালয়অন্যান্য
শিক্ষা আন্দোলন

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: ভেরিফিকেশনে বাদ পড়াদের ৫ দাবি, না মানলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি

জ

জিটি ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩১ PM

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়ার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনসম্মুখে প্রকাশসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম ‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়ার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনসম্মুখে প্রকাশসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম ‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’|ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ভেরিফিকেশনে প্রায় দেড় হাজার প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি। এতে বাদ পড়ার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনসম্মুখে প্রকাশসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম ‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এসব দাবি জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের দীর্ঘ আট মাসের প্রতীক্ষা, মানসিক নির্যাতন ও প্রশাসনিক টালবাহানার পর চরম অব্যবস্থাপনার নজির স্থাপন হয়েছে বলে আমরা মনে করি। প্রশাসনিক যাচাই-বাছাই বা ‘ভেরিফিকেশন’-এর দোহাই দিয়ে কোনো সুস্পষ্ট কারণ ব্যতিরেকে অসংখ্য যোগ্য প্রার্থীকে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১৫০০ জনের নিয়োগপত্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইস্যু করা হয়নি বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গেছে। কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমরা তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন: ঢাবিতে এনভায়রনমেন্টাল প্ল্যানিং, ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টে প্রফেশনাল মাস্টার্স, আবেদন ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত

এতে আরও বলা হয়, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, নিয়োগপত্র বঞ্চিত প্রার্থীদের কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে এভাবে তালিকা থেকে ছেঁটে ফেলা কেবল অমানবিকই নয়, এটি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের মৌলিক অধিকার ও ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশার প্রশ্নও তৈরি করে। দীর্ঘ আটটি মাস ধরে এসব প্রার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অন্য সকল চাকরির সুযোগ ত্যাগ করেছেন। অনেকে পূর্বের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন, কেউ নতুন চাকরিতে যোগদান না করে এ নিয়োগের অপেক্ষায় ছিলেন। কারও বয়স এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে নতুন করে সরকারি চাকরিতে আবেদন করার সুযোগ সীমিত বা শেষ হয়ে গেছে। অনেকের কাছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুধু একটি চাকরি নয়, এটি ছিল স্বপ্নের পেশা ও জীবনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

এতে আরও বলা হয়, এ আকস্মিক সিদ্ধান্তের কারণে আজ অসংখ্য পরিবার আর্থিক ও মানসিকভাবে ধ্বংসের মুখে পড়েছে। কারও উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে, কারও বাবা-মায়ের চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, আবার কেউ অনাহারে দিন কাটানোর মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। দীর্ঘ অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা ও হঠাৎ নিয়োগপত্র না পাওয়ার ঘটনায় অনেক প্রার্থী চরম মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, রাষ্ট্রের একজন নাগরিকের জীবিকা, ভবিষ্যৎ এবং বহু বছরের পরিশ্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই অস্পষ্টতা, প্রশাসনিক ভুল কিংবা একতরফা সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নেওয়া উচিত নয়। প্রতিটি প্রার্থীর বিষয় সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগতভাবে পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। আমরা স্পষ্ট করতে চাই, আমরা কোনো অনিয়মকারী বা অযোগ্য ব্যক্তির সুপারিশ করছি না। কিন্তু প্রশাসনিক ভুল, অসম্পূর্ণ তদন্ত, তথ্যগত ভুল কিংবা ব্যক্তিস্বার্থের বলি বানিয়ে কোনো নিরপরাধ ও যোগ্য প্রার্থীর জীবন নিয়ে খেলা করার অধিকার কারও নেই।

আরও পড়ুন: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

প্রার্থীদের পাঁচ দাবি

১. ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রত্যেক প্রার্থীর নথি অবিলম্বে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও পুনঃযাচাইযোগ্য প্রক্রিয়ায় পুনরায় যাচাই করতে হবে।

২. তথ্যগত ভুল বা অসংগতির শিকার প্রার্থীদের নিজেদের নির্দোষিতা প্রমাণের জন্য আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং প্রশাসনিক আপিলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

৩. কোনো দপ্তর বা কর্মকর্তার গাফিলতি, ভুল তথ্য কিংবা প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে কোনো প্রার্থী বাদ পড়ে থাকলে তা অবিলম্বে সংশোধন করে তাঁর নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

৪. চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত অথচ এখনো নিয়োগপত্র না পাওয়া সকল প্রার্থীর বিষয়ে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং কোনো অযৌক্তিক কারণে এই প্রক্রিয়া আর বিলম্বিত করা যাবে না।

৫. পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কেন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো এবং কোন প্রক্রিয়ায় এতসংখ্যক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী বাদ পড়লেন—তার সুস্পষ্ট ও দায়িত্বশীল ব্যাখ্যা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।

এদিকে, কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও বহু বছরের কঠোর পরিশ্রমকে একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নস্যাৎ হতে দেওয়া যায় না। যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তা সংশোধনের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। যোগ্য প্রার্থীদের প্রাপ্য নিয়োগপত্র ফিরিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় বাদ পড়া প্রার্থীদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম আরও কঠিন পর্যায়ে যেতে বাধ্য হবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের অধীনে সার্টিফিকেট কোর্সে ভর্তি, আবেদন ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

‘আমরা চাই না, দীর্ঘ প্রতীক্ষায় থাকা শিক্ষক প্রার্থীদের আবারও রাজপথে দাঁড়ানোর পরিস্থিতি তৈরি হোক। রাজপথ শিক্ষকদের থাকার জায়গা নয়; শ্রেণিকক্ষই শিক্ষকদের প্রকৃত কর্মক্ষেত্র। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের আহ্বান, আরেকবার রাজপথে নামার সুযোগ তৈরি করবেন না। আলোচনার মাধ্যমে, প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এবং ন্যায়সংগতভাবে এই সংকটের সমাধান করুন’।

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ট্যাগ:সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহকারী শিক্ষক নিয়োগভেরিফিকেশনপ্রায় দেড় হাজার প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নিবাদ পড়ার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনসম্মুখে প্রকাশ৫ দফা দাবি‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!