মূল বিষয়বস্তুতে যানThe Generation Today
 
The Generation Today
সর্বশেষবাংলাদেশআন্তর্জাতিকশিক্ষাউচ্চশিক্ষাশিক্ষাপ্রশাসনপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলাভিডিওঅর্থনীতিতারুণ্যপ্রবাসনির্বাচনশিক্ষা আন্দোলনআইন-আদালতনারী ও শিশুঅপরাধপরিবেশ ও জলবায়ুভ্রমণ-পর্যটনপুরস্কার-সম্মাননাউদ্ভাবন আবিষ্কারস্বাস্থ্য ও চিকিৎসালাইফস্টাইলব্যক্তিত্বসাহিত্য-সংস্কৃতিসাক্ষাৎকারবিচিত্র খবরসম্পাদকীয়বইমেলাফ্যাক্টচেকপ্রিয় বইমতামতশিক্ষাব্যবস্থা
সর্বশেষ
বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক
The Generation Today
সর্বশেষবাংলাদেশআন্তর্জাতিকশিক্ষাউচ্চশিক্ষাশিক্ষাপ্রশাসনপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তি
The Generation Today
হোমপেজসর্বশেষরাজনীতিঅর্থনীতিআইন-আদালতবিনোদনলাইফস্টাইলমতামত
সর্বশেষ
সরকাররাজনীতিসংসদসারা দেশরাজধানীজেলাঅপরাধদুর্ঘটনাআইন-আদালতকৃষি ও খাদ্যপানি-বিদ্যুৎ-জ্বালানি
রাজনীতি
মধ্যপ্রাচ্যএশিয়াইউরোপআমেরিকাআফ্রিকাঅন্যান্য
ব্যাংক ও আর্থিকশিল্পবাণিজ্যবিশ্ববাণিজ্যবাজারউদ্যোক্তাবাজেটঅন্যান্য
ফ্রিল্যান্সিংপ্রশিক্ষণএআইগ্যাজেটবিজ্ঞানটিপসঅন্যান্য
ফুটবলক্রিকেটবিপিএলআইপিএলঅন্যান্য
খবরসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়মেডিকেলনার্সিং ও মিডওয়াইফারিপ্রকৌশল ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তিটেক্সটাইল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়
খবরসরকারিবেসরকারিবাহিনীব্যাংক ও আর্থিকশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানএনজিওমেডিকেল-ফার্মাসিবিদেশে চাকরিপ্রস্তুতি ও পরামর্শপরীক্ষার সময়সূচিসাক্ষাৎকারফলাফল
খবরদেশিবিদেশিইন্টার্নশিপপ্রস্তুতি ও পরামর্শফলাফল
সারা দেশআন্দোলনখেলাআন্তর্জাতিকজীবনের গল্পবিজয়গাথাঐতিহ্যঐতিহাসিক স্থানসাক্ষাৎকারঅন্যান্য
সাক্ষাৎকারসাফল্যসংস্কৃতিসাহিত্যবইমেলাবিনোদনপরিবেশ ও জলবায়ুলাইফস্টাইলস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাউদ্ভাবন আবিষ্কারব্যক্তিত্বপুরস্কার-সম্মাননাভ্রমণ-পর্যটনবিচিত্র/অফবিটশিক্ষক-কর্মচারী আন্দোলন
নির্বাচন
প্রবাস
সম্পাদকীয়
মতামত
প্রতিযোগিতাবিতর্ককুইজঅলিম্পিয়াডসাফল্যউৎসব-পার্বণ
শিক্ষা আন্দোলন
ধর্ম
আইন-আদালত
নারী ও শিশু
দরকারি তথ্যপরীক্ষার সময়সূচিভর্তি পরীক্ষাবোর্ড পরীক্ষাঅ্যাকাডেমিক পরীক্ষাপ্রস্তুতি ও পরামর্শমডেল টেস্টপ্রশ্ন সমাধানফলাফল
খবরমতামত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়প্রাথমিক ও গণশিক্ষাশিক্ষা বোর্ডএনটিআরসিএইউজিসিপিএসসিঅন্যান্য
বিচিত্র খবর
ফ্যাক্টচেক
ব্যাংক-বিমা
দরকারি তথ্যস্কুলকলেজবিশ্ববিদ্যালয়অন্যান্য
আরও

ঈদের ছুটি শেষে কাজে মন বসছে না? মেনে চলুন এই ৮ পরামর্শ

জ

জিটি ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৮:২৮ AM

কাজে মন না বসলে করণীয়
কাজে মন না বসলে করণীয়|ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহার ছুটি শেষ। কয়েক দিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ, ঘুরতে যাওয়া কিংবা শুধু আরাম করে কাটানোর পর আবার অফিসের ডেস্কে ফিরতে অনেকেরই কষ্ট হয়। ইনবক্সে জমে থাকা ই-মেইল, অসমাপ্ত কাজ, নতুন মিটিং—সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই যেন চাপের পাহাড়। তবে ছুটির পর কাজে ফেরার সময় এমন সমস‍্যা অস্বাভাবিক নয়। কয়েকটি সহজ কৌশল অনুসরণ করলে ধীরে ধীরে আবার কাজের ছন্দে ফেরা সহজ হতে পারে।

আরও পড়ুন: আজ থেকে তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ
১. প্রথম দিনেই সব শেষ করার চেষ্টা করবেন না

অফিসে ফিরেই অনেকের মনে হয়, জমে থাকা সব কাজ আজই শেষ করতে হবে। এই চিন্তা থেকেই চাপ বাড়ে। বাস্তবতা হলো, কয়েক দিনের কাজ এক দিনে শেষ করা সম্ভব নয়।

প্রথম দিন সবচেয়ে জরুরি কাজগুলো চিহ্নিত করুন। বাকিগুলো পরবর্তী দিনগুলোর জন্য পরিকল্পনা করে রাখুন।

২. সপ্তাহের লক্ষ্য ঠিক করুন

ডেস্কে বসেই ই-মেইল খুলে না বসে আগে ভাবুন, এই সপ্তাহে কী কী করতে হবে।

ছোট ছোট লক্ষ্য ঠিক করতে পারেন—

  • জমে থাকা ই-মেইলগুলো দেখে নেওয়া

  • জরুরি কাজগুলোর তালিকা করা

  • গুরুত্বপূর্ণ মিটিংগুলো ঠিক করা 

লক্ষ্য স্পষ্ট থাকলে কাজের চাপ তুলনামূলক কম মনে হয়।

আরও পড়ুন: দেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

৩. কোন কাজ আগে করবেন, ঠিক করুন

সব কাজ সমান গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিছু কাজ জরুরি, কিছু কাজ অপেক্ষা করতে পারে।

তাই কাজের তালিকা তৈরি করে গুরুত্ব অনুযায়ী সাজিয়ে নিন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো আগে শেষ করার চেষ্টা করুন।

৪. সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলুন

ছুটিতে থাকার সময় অফিসে কী কী হয়েছে, তা জানার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলা।

একটি ছোট আলোচনা অনেক সময় অসংখ্য ই-মেইল পড়ার চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে। এতে নতুন কোনো অগ্রাধিকার তৈরি হয়েছে কি না, সেটিও জানা যায়।

৫. প্রথম কয়েক ঘণ্টা মিটিংমুক্ত রাখুন

সম্ভব হলে প্রথম দিনের সকালটা নিজের জন্য রাখুন।

এই সময়টুকু কাজে ফিরতে, ই-মেইল গোছাতে এবং দিনের পরিকল্পনা করতে ব্যবহার করুন। অফিসে ফিরেই একের পর এক মিটিং থাকলে চাপ আরও বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন: সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে: প্রধানমন্ত্রী

৬. একসঙ্গে এক ধরনের কাজ করুন

একটু পরপর ই-মেইল, ফোনকল, মিটিং আর অন্য কাজের মধ্যে বারবার যাওয়া-আসা করলে মনোযোগ নষ্ট হয়।

বরং নির্দিষ্ট সময় ধরে শুধু ই-মেইল, তারপর মিটিং, এরপর অন্য কাজ—এভাবে ভাগ করে কাজ করলে উৎপাদনশীলতা বাড়তে পারে।

৭. সবচেয়ে কঠিন কাজটি আগে সেরে ফেলুন

অনেক সময় একটি বিশেষ কাজ আমাদের মাথায় সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি করে।

দিনের শুরুতেই সেটি শেষ করতে পারলে বাকি কাজগুলো তুলনামূলক সহজ মনে হয়। আত্মবিশ্বাসও বাড়ে।

৮. নিজের জন্যও সময় রাখুন

ছুটির পর কাজে ফেরার মানে এই নয় যে নিজের যত্ন নেওয়া বন্ধ করে দিতে হবে। সকালের হাঁটা, ব্যায়াম, প্রার্থনা, ধ্যান বা এক কাপ চা—যে অভ্যাস আপনাকে ভালো রাখে, সেটি ধরে রাখার চেষ্টা করুন। মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে এসব ছোট অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন: তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে নুরুন্নাহার নিম্নির এভারেস্ট জয়

ছুটির আরাম থেকে সরাসরি পূর্ণগতির কর্মজীবনে ফিরে আসা সহজ নয়। তাই প্রথম দিনেই আগের মতো শতভাগ ছন্দে ফিরতে না পারলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। ধীরে ধীরে কাজের গতি বাড়ান। কয়েক দিনের মধ্যেই আবার পুরোনো রুটিনে ফিরে আসবেন।

মনে রাখুন

ছুটির উদ্দেশ্যই হলো বিশ্রাম নেওয়া এবং নতুন উদ্যমে কাজে ফেরা। তাই ঈদের সুন্দর সময় কাটানোর জন্য অপরাধবোধ নয়, বরং সেই শক্তিটুকু নিয়েই কাজে ফিরুন। জমে থাকা কাজ একসময় শেষ হবে, কিন্তু ভালোভাবে কাটানো ছুটির স্মৃতি আপনাকে দীর্ঘদিন শক্তি জোগাবে।

ট্যাগ:ঈদের ছুটিঅফিসমানসিক স্বাস্থ্যঈদুল আজহা

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!