মূল বিষয়বস্তুতে যানThe Generation Today
 
The Generation Today
সর্বশেষবাংলাদেশআন্তর্জাতিকশিক্ষাউচ্চশিক্ষাশিক্ষাপ্রশাসনপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলাভিডিওঅর্থনীতিতারুণ্যপ্রবাসনির্বাচনশিক্ষা আন্দোলনআইন-আদালতনারী ও শিশুঅপরাধপরিবেশ ও জলবায়ুভ্রমণ-পর্যটনপুরস্কার-সম্মাননাউদ্ভাবন আবিষ্কারস্বাস্থ্য ও চিকিৎসালাইফস্টাইলব্যক্তিত্বসাহিত্য-সংস্কৃতিসাক্ষাৎকারবিচিত্র খবরসম্পাদকীয়বইমেলাফ্যাক্টচেকপ্রিয় বইমতামতশিক্ষাব্যবস্থা
সর্বশেষ
বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক
The Generation Today
সর্বশেষবাংলাদেশআন্তর্জাতিকশিক্ষাউচ্চশিক্ষাশিক্ষাপ্রশাসনপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তি
The Generation Today
হোমপেজসর্বশেষরাজনীতিঅর্থনীতিআইন-আদালতবিনোদনলাইফস্টাইলমতামত
সর্বশেষ
সরকাররাজনীতিসংসদসারা দেশরাজধানীজেলাঅপরাধদুর্ঘটনাআইন-আদালতকৃষি ও খাদ্যপানি-বিদ্যুৎ-জ্বালানি
রাজনীতি
মধ্যপ্রাচ্যএশিয়াইউরোপআমেরিকাআফ্রিকাঅন্যান্য
ব্যাংক ও আর্থিকশিল্পবাণিজ্যবিশ্ববাণিজ্যবাজারউদ্যোক্তাবাজেটঅন্যান্য
ফ্রিল্যান্সিংপ্রশিক্ষণএআইগ্যাজেটবিজ্ঞানটিপসঅন্যান্য
ফুটবলক্রিকেটবিপিএলআইপিএলঅন্যান্য
খবরসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়মেডিকেলনার্সিং ও মিডওয়াইফারিপ্রকৌশল ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তিটেক্সটাইল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়
খবরসরকারিবেসরকারিবাহিনীব্যাংক ও আর্থিকশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানএনজিওমেডিকেল-ফার্মাসিবিদেশে চাকরিপ্রস্তুতি ও পরামর্শপরীক্ষার সময়সূচিসাক্ষাৎকারফলাফল
খবরদেশিবিদেশিইন্টার্নশিপপ্রস্তুতি ও পরামর্শফলাফল
সারা দেশআন্দোলনখেলাআন্তর্জাতিকজীবনের গল্পবিজয়গাথাঐতিহ্যঐতিহাসিক স্থানসাক্ষাৎকারঅন্যান্য
সাক্ষাৎকারসাফল্যসংস্কৃতিসাহিত্যবইমেলাবিনোদনপরিবেশ ও জলবায়ুলাইফস্টাইলস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাউদ্ভাবন আবিষ্কারব্যক্তিত্বপুরস্কার-সম্মাননাভ্রমণ-পর্যটনবিচিত্র/অফবিটশিক্ষক-কর্মচারী আন্দোলন
নির্বাচন
প্রবাস
সম্পাদকীয়
মতামত
প্রতিযোগিতাবিতর্ককুইজঅলিম্পিয়াডসাফল্যউৎসব-পার্বণ
শিক্ষা আন্দোলন
ধর্ম
আইন-আদালত
নারী ও শিশু
দরকারি তথ্যপরীক্ষার সময়সূচিভর্তি পরীক্ষাবোর্ড পরীক্ষাঅ্যাকাডেমিক পরীক্ষাপ্রস্তুতি ও পরামর্শমডেল টেস্টপ্রশ্ন সমাধানফলাফল
খবরমতামত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়প্রাথমিক ও গণশিক্ষাশিক্ষা বোর্ডএনটিআরসিএইউজিসিপিএসসিঅন্যান্য
বিচিত্র খবর
ফ্যাক্টচেক
ব্যাংক-বিমা
দরকারি তথ্যস্কুলকলেজবিশ্ববিদ্যালয়অন্যান্য
আন্তর্জাতিক

মিয়ানমারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে শিশুসহ নিহত ৫৫

জ

জিটি ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৮:১৬ AM

মিয়ানমার বিস্ফোরণ
মিয়ানমার বিস্ফোরণ|ছবি: বিবিসি

মিয়ানমারের শান রাজ্যের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত একটি গ্রামে ভয়াবহ এক বিস্ফোরণে শিশুসহ অন্তত ৫৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েক জন। রোববার চীন সীমান্তের কাছে অবস্থিত নামখাম টাউনশিপের কাওং টাট গ্রামে এই প্রাণঘাতী ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: সীমান্তে ‘পুশইন’ ঠেকাতে বিজিবিকে সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাস্থলের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে নিহতদের মধ্যে ২৫ জন নারী এবং ৩০ জন পুরুষ রয়েছেন। তবে নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘তাঅ্যাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি’ (টিএনএলএ), যারা বর্তমানে ওই এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করছে এবং জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, জানিয়েছে যে খনি ও পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরক থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।

টিএনএলএর উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ সংস্থা এএফপি জানায়, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে এই ‘দুর্ঘটনাজনিত বিস্ফোরণ’ ঘটে। এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি বলেছে, “এই বিস্ফোরণের কারণে অনেক গ্রামবাসী প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন। এছাড়া তাদের ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।” তবে তারা হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেনি।

আরও পড়ুন: সততা ও দক্ষতাই হবে পুলিশে পদোন্নতির ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রী

ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিস্ফোরণস্থলে বিশাল এক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। চারপাশের ভবনগুলো ধসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পুড়ে যাওয়া ধ্বংসাবশেষ এবং উপড়ে পড়া গাছের মাঝখান দিয়ে তখনও ধোঁয়া উড়তে দেখা যাচ্ছিল।

বিস্ফোরণের ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুরো এলাকা এখন এক ধ্বংসস্তূপ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন বাসিন্দা লিখেছেন, বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দে প্রথমে অনেকেই ভেবেছিলেন এটি কোনো বিমান হামলা। এই ঘটনায় কয়েকশ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে একটি পুরো এলাকা জনশূন্য হয়ে পড়েছে।

নিজের বেঁচে যাওয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে এক নারী লিখেছেন, “ভাগ্যক্রমে আমার ফোনটি আজ আমার জীবন বাঁচিয়েছে। আমি শোবার ঘরে বসে নুডলস খাচ্ছিলাম আর ফোনে কিছু দেখছিলাম। যদি রান্নাঘরে থাকতাম, তবে হয়তো আজ আমি বেঁচে থাকতাম না।” সামান্য আহত ওই নারী আরও জানান, তার নিজের বাড়িটিও ধ্বংস হয়ে গেছে। চারদিকে মানুষের কান্না আর প্রিয়জনকে খোঁজার আর্তনাদ দেখে মনে হচ্ছিল পৃথিবী বুঝি এখনই শেষ হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: জুলাই হত্যা মামলায় সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-রুপার জামিন

আবাসিক এলাকার এত কাছে কেন বিস্ফোরক মজুত রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। নিহতদের পরিবারগুলো যথাযথ তদন্ত ও ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, টিএনএলএ মিয়ানমারের জান্তা বিরোধী শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি। বিদ্রোহ পরিচালনার জন্য দেশটির অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী মূল্যবান খনিজ সম্পদ উত্তোলনের ওপর নির্ভর করে। তবে খনিগুলোতে নিরাপত্তার অভাব ও শিথিল ব্যবস্থার কারণে সেখানে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। সূত্র-বিবিসি

ট্যাগ:মিয়ানমারবিস্ফোরণনিহত

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!