নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের সম্ভাবনা রয়েছে। এ নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজেও চলছে ব্যাপক আলোচনা।
জানা গেছে, নতুন সরকারি বেতন কমিশনের সুপারিশে বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বর্তমানে ১৩তম গ্রেডে থাকা শিক্ষকদের মূল বেতন ১১ হাজার টাকা থেকে প্রায় দ্বিগুণ করার সুপারিশ নিয়ে আলোচনা চলছে, যা বাস্তবায়ন হলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। শুধু শিক্ষকরাই নন, ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্যও তুলনামূলক বেশি হারে বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৪৭১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, প্রথম দফায় ৬৩ জনকে শোকজ
একইসঙ্গে টিফিন ভাতাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোরও সুপারিশ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তবে নতুন পে-স্কেল নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে যেমন আশার সঞ্চার হয়েছে, তেমনি তৈরি হয়েছে কিছু শঙ্কাও। নবম পে-স্কেল কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা একই হারে বেতন-ভাতার সুবিধা পাবেন কি না, তা নিয়ে এখনো রয়েছে অনিশ্চয়তা। ফলে কয়েক লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
আরও পড়ুন: আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ফেরাতে চায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও পে কমিশনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনায় জানা গেছে, বর্তমান সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে সুবিধা পাবেন।
অর্থাৎ শুধু মূল বেতন নয়, ধাপে ধাপে অন্যান্য ভাতা ও সুযোগ-সুবিধাও নতুন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করা হতে পারে।

