ইসরায়েলের পর এবার কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, সৌদি আরবে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। উপসাগরীয় ওই তিন দেশ তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। এ ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চারটি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রয়টার্স ও আলজাজিরাসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, বাহরাইনের জাফায়ার এলাকায় বিকট বিস্ফোরণের পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে। উল্লেখ্য, এ এলাকাতেই মার্কিন নৌবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি রয়েছে। এর আগে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জরুরি সতর্কতা জারি করে নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতেও একটি বিকট বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তবে এর উৎস বা ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস জানিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালিয়েছে ইরান। এর মধ্যে রয়েছে—কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি, কুয়েতের আল-সালেম বিমান ঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা বিমান ঘাঁটি ও বাহরাইনের পঞ্চম মার্কিন ঘাঁটি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানায়, কুয়েতেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর পরপরই দেশজুড়ে সতর্কতা সাইরেন বাজানো শুরু হয়।
ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর কাতার ও বাহরাইনে অবস্থান করা মার্কিনদের সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে।
এই দুই দেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে উভয় দেশে অবস্থানকারী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের উদ্দেশে নিরাপত্তা সতর্কতা ‘শেল্টার-ইন-প্লেস’ জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সতর্কতা জারি থাকবে।

